বৃহস্পতিবার, ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৫:৩৭ পূর্বাহ্ন

দৃষ্টি দিন:
সম্মানিত পাঠক, আপনাদের স্বাগত জানাচ্ছি। প্রতিমুহূর্তের সংবাদ জানতে ভিজিট করুন -www.coxsbazarvoice.com, আর নতুন নতুন ভিডিও পেতে সাবস্ক্রাইব করুন আমাদের ইউটিউব চ্যানেল Cox's Bazar Voice. ফেসবুক পেজে লাইক দিয়ে শেয়ার করুন এবং কমেন্ট করুন। ধন্যবাদ।
শিরোনাম :

কুতুবদিয়া স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স যেন ছাগলের খামার!

ভয়েস নিউজ ডেস্ক:

করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে সরকার দেশের সব জায়গায় স্বাস্থ্য সেবা নিশ্চিত করতে আপ্রাণ চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। সেনা বাহিনীর সদস্যরা, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও জেলা উপজেলা প্রশাসনের লোকজন জনসেবা ও করোনা প্রতিরোধে কাজ করে যাচ্ছেন মাঠে। এমতাবস্থায় কুতুবদিয়া সরকারী স্বাস্থ্য তথা পরিবার পরিকল্পনা কেন্দ্রে ছাগলের খামার দেখে ক্ষুব্ধ হয়ে উঠেছেন জেলার সচেতন মহল। ওই স্বাস্থ্য কেন্দ্রটিকে ছাগলের খামার বানিয়েছেন ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ডাক্তার বিধান চন্দ্র রৌদ্র।

জানা যায়, কুতুবদিয়া পরিবার পরিকল্পনা কেন্দ্রের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ডাক্তার বিধান চন্দ্র রৌদ্র মানুষের সেবা না দিয়ে ছাগল পালনের কাজে ব্যস্ত হয়ে পড়েছেন। দীর্ঘ প্রায় ৮বছরের অধিক সময় একই স্থানে চাকরি (ভারপ্রাপ্ত) করার সুবাদে মানুষের সঙ্গে বেপরোয়া মনোভাব পোষণ করছেন তিনি। স্থানীয়রা অভিযোগ করে বলেন, তার কাছে রোগী আসলে যেন ভিক্ষুক এসেছে মনে করে তাড়িয়ে দেন ডাক্তার রৌদ্র। ঠিক এভাবে চলছে কুতুবদিয়ার তৃণমূলে জন্মনিয়ন্ত্রণ তথা স্বাস্থ্য ব্যবস্থা। চকরিয়া ও কুতুবদিয়া দুই উপজেলার দায়িত্ব পালন করে ব্যাপক অনিয়ম ও দুর্নীতির আখড়ায় পরিণত করেছেন পরিবার পরিকল্পনা কেদ্রকে। বহু ভূযা বিল ভাউচার করে হাতিয়ে নিয়েছেন সরকারের লাখ লাখ টাকা।

জন্মনিয়ন্ত্রণ সেবা নিতে এসে মহিলাদের অনেকে ওই ডাক্তারের অসৌজন্যমুলক আচরণে নৈরাশ হয়ে ফিরে গেছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। স্থানীয়রা বলেন, ডাক্তার বিধান চন্দ্র রৌদ্রের দুর্ব্যবহারে কুতুবদিয়ার প্রায় মহিলা অসন্তুষ্ট। তাই হাসপাতালে চিকিৎসা সেবা নিতে আসা মানুষের দেখা নেই, আছে রামছাগলের প্রজনন। কুতুবদিয়া উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা কার্যালয়ে ছাগল পালন (খামার) নিয়ে ব্যস্ত সময় কাটিয়েছেন বিধান চন্দ্র রৌদ্র। একটি ছাগি তার দুটি বাচ্চা নিয়ে কার্যালয়ে স্বযতেœ রাখা সেটাই প্রমান করল কুতুবদিয়া উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা কার্যালয়ে চিকিৎসা সেবার নামে কী চলছে। ইতোমধ্যে কুতুবদিয়ায় ৪জন করোনা পজিটিভ পাওয়া গেছে।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা, এসিল্যান্ড ও নৌ বাহিনীর সদস্যরা করোনা প্রতিরোধে সচেষ্ট হলেও পরিবার পরিকল্পণা কর্মকর্তার কোন ধরণের তৎপরতা নেই বলে জানা গেছে। ছাগল পালনের বিষয়টি সত্য নয় দাবী করে ডাক্তার বিধান চন্দ্র রৌদ্র বলেন, আলতাফ গোসেন নামে এক ডাক্তারকে তিনমাস আগে কুতুবদিয়ার দায়িত্ব বুঝিয়ে দিয়ে আমি বর্তমানে চকরিয়া অফিসে দায়িত্ব পালন করছি। অথচ রবিবার দুপুরে কুৃতুবদিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার বাসায় গিয়ে হাসপাতালে ছাগল পালনের বিষয়টি সত্য নয় জানিয়ে নিজেকে রক্ষার জন্য উপস্থিত ছিলেন বলে একটি সূত্রে জানা গেছে। সূত্র:দৈনিক জনকণ্ঠ।

Please Share This Post in Your Social Media

© All rights reserved © 2023
Developed by : JM IT SOLUTION